প্রশ্ন: বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তরে আমাদের মুসলমান ভাইয়েরা যে নির্যাতন নিষ্পেষণের শিকার হচ্ছে তাদের প্রতি আমাদের কর্তব্য কী?
সমস্ত
প্রশংসা
আল্লাহর
জন্য।
আল্লাহ
তাআলা বলেছেন:
“মুমিনরা
পরস্পর ভাই
ভাই”। আল্লাহ
তাদের
ব্যাপারে আরো
বলেছেন:
“তারা
কাফেরদের ব্যাপারে
বজ্রকঠোর,
পরস্পরের
মাঝে অতিশয়
দয়ালু”। নবী
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া
সাল্লাম বলেছেন:
“এক
মুমিন আরেক
মুমিনের নিকট
মাথা যেমন
দেহের নিকট।
ঈমানদারের
দুঃখ-কষ্টে
মুমিন দুঃখ-কষ্ট
অনুভব করে
যেভাবে মাথায়
ব্যথার কারণে
গোটা দেহ
ব্যথাতুর হয়ে
পড়ে।”
[মুসনাদে
আহমাদ] এক
মুমিনের
প্রতি অপর
মুমিনের
সমবেদনার প্রকারগুলো
ইবনুল
কাইয়্যেম খুব
সুন্দরভাবে
সংক্ষেপে
উল্লেখ
করেছেন, তিনি
বলেন: মুমিনের
প্রতি
সমবেদনা
জানানো কয়েকভাবে
হতে পারে।
সম্পদ দিয়ে
সমবেদনা।
প্রভাব
প্রতিপত্তির
মাধ্যমে
সমবেদনা। শারীরিক
ও কায়িক শ্রম দিয়ে
সমবেদনা।
উপদেশ ও সঠিক
দিকনির্দেশনা
প্রদানের
মাধ্যমে সমবেদনা।
তাদের জন্য দোয়া
ও ক্ষমা
প্রার্থনা
করার মাধ্যমে
সমবেদনা।
তাদের জন্য
দুঃখ প্রকাশ
করার মাধ্যমে
সমবেদনা।
ব্যক্তির
ঈমানের সবলতা
ও দুর্বলতার ভিত্তিতে
এ সমবেদনার
তারতম্য ঘটে।
ব্যক্তির
ঈমান সবল হলে
সমবেদনা
তীব্র হয়।
ঈমান দুর্বল
হলে সমবেদনাও
দুর্বল হয়।
নবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া
সাল্লাম তাঁর
সাহাবীদের
প্রতি
উল্লেখিত সকল
প্রকার
সমবেদনার
মাধ্যমে
সবচেয়ে উত্তম
সমব্যথী
ছিলেন।[আল-ফাওয়ায়েদ,
১/১৭১]
খলিল
ইবনে আহমাদ
একবার তাঁর এক
বন্ধুর সাথে
হেঁটে যাচ্ছিলেন।
হঠাৎ করে তার বন্ধুর
জুতাটি ছিড়ে
গেল। তখন তাঁর
বন্ধু ছেঁড়া জুতাটি
হাতে নিয়ে
খালি পায়ে
হাঁটতে লাগলেন।
তা দেখে খলিলও
তাঁর
জুতাজোড়া
খুলে হাতে
নিলেন এবং
খালি পায়ে হেঁটে
চললেন। তখন তাঁর
বন্ধু তাঁকে
জিজ্ঞেস করলেন,
তুমি জুতা
খুললে কেন?
খলিল বললেন:
তুমি খালি পায়ে
হাঁটছ তাই
তোমার প্রতি
সমবেদনা
জানাচ্ছি।
