প্রশ্ন: প্রতি বছর শাওয়াল মাসে ‘ঈদুল আবরার’ নামে যে ঈদ পালন করা হয় এর হুকুম কী?

উত্তর:

আলহামদুলিল্লাহ।

শাওয়াল মাসে
যে বিদাতগুলো
সংঘটিত হয়ে
থাকে এর মধ্যে
রয়েছে-
‘ঈদুল
আবরার’
নামক বিদাত। যা
শাওয়াল মাসের
৮ তারিখে ঘটে
থাকে। লোকেরা
রমযান মাসের
রোযা রাখার পর
শাওয়াল মাসের
১ তারিখে ঈদুল
ফিতরের দিন
রোযা ভাঙ্গে। এরপর
শাওয়ালের ছয়
রোযা রাখা
শুরু করে এবং
৮ তারিখে ঈদ
উদযাপন করে। এ
ঈদকে তারা
‘ঈদুল আবরার’ আখ্যায়িত
করে থাকে।

শাইখুল
ইসলাম ইবনে
তাইমিয়া (রহঃ)
বলেন:
“শরিয়ত
প্রদত্ত নয়
এমন কোন মৌসুম
গ্রহণ করা বিদাতের
অন্তর্ভুক্ত,
যেটাকে সলফে
সালেহিন মুস্তাহাব
জানতেন না এবং
তা তারা পালন
করতেন না।
যেমন- রবিউল
আউয়াল মাসের
কোন একটি রাত; যে
রাতকে মিলাদুন্নবীর
রাত বলা হয়,
রজবের কোন একটি
রাত, যিলহজ্জ
মাসের ৮
তারিখ, রজব
মাসের প্রথম
জুমাবার ও
শাওয়াল মাসের
৮ তারিখ; যে
দিনকে মূর্খ
লোকেরা
‘ঈদুল
আবরার’
বলে থাকে ।
আল্লাহ্‌ সুবহানাহু
তায়ালা ভাল
জানেন।[শাইখুল
ইসলাম এর
‘মাজমুউল
ফাতওয়া’
(২৫/২৯৮)]

তিনি আরও
বলেন:
“শাওয়াল
মাসের ৮ তারিখ
নেককারদের
ঈদও নয়; বদকারদের
ঈদও নয়। কোন
ব্যক্তির
জন্য এ দিনকে
ঈদ বিশ্বাস
করা এবং এ
দিনে ঈদের কোন
আলামত জাহির
করা জায়েয হবে
না।”
[আল-ইখতিয়ারাত
আল-ফিকহিয়্যা,
পৃষ্ঠা-১৯৯]

এই ঈদ কোন
একটি নামকরা
মসজিদে
উদযাপনের
আয়োজন করা হয়।
সেখানে নারী-পুরুষের
অবাধ
সংমিশ্রণ
ঘটে। তারা একে
অপরের সাথে
মুসাফাহা
করে।
মুসাফাহাকালে
কিছু জাহেলি
কথাবার্তা
উচ্চারণ করে।
এরপর তারা এ
উপলক্ষ্যে
বিশেষ কিছু
খাবার-দাবার প্রস্তুত
করতে চলে
যায়।[শুকাইরির
লিখিত
‘আস-সুনান
ওয়াল
মুবতাদাআত,
পৃষ্ঠা-১৬৬]